নমস্কার, আজকে আমি অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এর সিকিউরিটি সম্পর্কে Monipuri-IT.com এ শ্যামল দাদার একটি লেখা বাংলা অনুবাদ করে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতেছি, তাহলে শুরু করা যাক।

আজকের আমি অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজের সিকিউরিটি নিয়ে আলোচনা করব। বর্তমান যুগ কম্পিউটারের যুগ, আমাদের অনেক প্রয়োজনীয় কাজ কম্পিউটারের করে থাকি এর জন্য কম্পিউটারের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, ঠিক তেমনি বৃদ্ধি পাচ্ছে হ্যাকিংও। আমি মনে করি,  কম্পিউটার শিক্ষার পাশা পাশি  হ্যাকিং থেকে বাচাঁর জন্য কম্পিউটার সিকিউরিটি সর্ম্পেকে জানার প্রয়োজন।

কম্পিউটার সিকিউরিটি সম্পর্কে জানার আগে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে জানতে হবে।

অপারেটিং সিস্টেম কি ?
অামাদের কম্পিউটার আলাদা আলাদা যন্ত্রাংশ নিয়ে গঠিত কিন্তু এই যন্ত্রাংশ ঠিক ঠাক ভাবে অপারেটিং বা পরিচালনা করার জন্য একটি সিস্টেমের প্রয়োজন হয় ঐ সিস্টেম কে আমরা অপারেটিং সিস্টেম বলে থাকি।  বাজারে অনেক অপারেটিং সিস্টেম আছে তার মধ্যে অন্যতম মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ। উইন্ডোজের অনেক ভার্সন আছে তার মধ্যে জনপ্রিয় হল উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ৭, উইন্ডোজ ৮।

বাংলাদেশ প্রায় 98% কম্পিউটার ব্যবহারকারী মাইক্রোসফটে উইন্ডোজের বিভিন্ন ভার্সন ব্যবহার করে থাকি,  কিন্তু আমরা অনেকেই উইন্ডোজ সিকিউরিটি সর্ম্পেকে জানি না ।

একটি কম্পিউটারের ৫ ধরনের সিকিউরিটি স্তর থাকে
১. BIOS সিকিউরিটি
২. সিস্টেম সিকিউরিটি
৩. ইউজার সিকিউরিটি
৪. ডাটা সিকিউরিটি
৫. ইন্টারনেট সিকিউরিটি

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম একটি কম্পিউটারকে ৪ স্তরে সিকিউরিটি প্রদান করে থাকে।
১. সিস্টেম সিকিউরিটি
২. ইউজার সিকিউরিটি
৩. ডাটা সিকিউরিটি
৪. ইন্টারনেট সিকিউরিটি

সিস্টেম সিকিউরিটি: সিস্টেম সিকিউরিটি হল উইন্ডোজের সবচেয়ে ভাল সিকিউরিটি। এটি  সিস্টেম রান (অন) হওয়ার আগে authentication (পাসওয়াড ) চেয়ে থাকে। পাসওয়াড না দিলে অন হবে না। এখান থেকে সিস্টেম সিকিউরিটি সম্পর্কে জেনে নিন।

windows-security-introduction

ইউজার সিকিউরিটি: কম্পিউটার অন হওয়ার পর ইউজার নিরাপত্তার জন্য এটি কাজ করে থাকে। একটি কম্পিউটার যদি কয়েকজন ব্যক্তি ব্যবহার করে তবে প্রত্যেক ব্যক্তির একটি করে ইউজার একাউন্ট খুলতে হয় । আর প্রত্যেক ইউজার একাউন্টের নিরাপত্তার জন্য আলাদা আলাদা পাসওয়াড ব্যবহার করার সুবিধা রয়েছে।

windows-security-introduction-2

ডাটা সিকিউরিটি: উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে আমাদের গুরুত্বর্পূণ বা গুপনীয় ডাটাকে সিকিউর করার জন্য Bitlocker নামে একটি সফটওয়্যার আছে। বিশ্বে যত ফাইল সিকিউরিটি সফটওয়্যার আছে তার মধ্যে ভাল সিকিউরিটি সফটওয়্যার হল bitlocker। এখান থেকে bitlocker সম্পর্কে জেনে নিন।

windows-security-introduction-3

ইন্টারনেট সিকিউরিটি : উইন্ডোজের ইন্টারনেট সিকিউরিটি সিস্টেম খুব শত্তিশালী কিন্তু দুঃখের বিষয় আমরা বাংলাদেশে উইন্ডোজের এডিট বা ফ্রি ভার্সন ব্যবহার করি তাই উইন্ডোজ এর শক্তিশালী ইন্টারনেট সিকিউরিটি সিস্টেম ব্যবহার করতে পারিনা।